Posts

Bronze Kali murthy

Image
  Bronze Kali murthy. Kolkata. Calcutta Art Gallery. 

Rankini Peedha Deul, Daintikri, Paschim Medinipur

Image
Peedha Deul of Rankini. Daintikti. Pumice Stone built. From a book.  Devi Tikrasini of Daintikri. 

Ambikanagar Deul, Bankura

Image
Pre-islamic era stone Deul in Ambikanagar. From a book.  The stone deul. Murthys inside and around the deul. Murthy of a goddess or female at the deul. Rishabhnath vigraha. Stone vigraha of Devi Ambika, worshipped in a modern temple nearby. Ambika is the reason the place is called Ambikanagar. Deities accompanying Ambika at the new temple. A ruined palace or rajbari near the stone deul in Ambikanagar.  According to David J. McCutchion, Jain builders went on building temples in the remote areas of old Manbhum district till the 13th century or before the Islamic invasion. Many of them are still standing at Bahulara, Harmasra, Deulbhirya, Ambikanagar, Chharra, Pakbirra, Suisa or Deuli, in modern Bankura and Purulia districts. 

Pala Era Kurukulla Devi Murthy

Image
পালযুগের কুরুকুল্লা মূর্তি। বজ্রযানে অমিতাভকুলে উপাসিতা। সাধনমালা অনুযায়ী এই রূপটি তারোদ্ভবা কুরুকুল্লার; চার হাতে যথাক্রমে ধনুর্বাণ অঙ্কুশ ও রক্তপদ্ম ধারণ করে রিপুদেহের উপর ইনি তাণ্ডব নৃত্য করেন। বর্তমানে ব্রোঞ্জ নির্মিত মূর্তিটি কলকাতা আর্ট গ্যালারিতে আছে। সেখানে কালী বলে চিহ্নিত করা আছে। খুবই সঙ্গত। কারণ তন্ত্রে কালীর সাধনক্রমের উত্থানের পর কুরুকুল্লা কালীর পঞ্চদশ নিত্যার অন্তর্গত হয়ে যান এবং রক্তকালী নামেও অভিহিত হন। পালযুগের বাঙালির ভাস্কর্যের অপরূপ নিদর্শন এই মাতৃকা মূর্তি। Mantra: ওঁ কুরুকুল্লে হুম হ্রীং স্বাহা। কুরুকুল্লা শ্রীকুল ও কালীকুল উভয়েই উপাসিতা। বজ্রযান এবং তন্ত্রের বিভিন্ন শাখায় এঁর অগণিত সাধনক্রম বর্তমান।  অনেকে মা ষোড়শীর বৌদ্ধ তান্ত্রিক রূপ মনে করেন মা কুরুকুল্লাকে।

Pala Era Surya Murthy, Rajshahi, Bangladesh

Image
Date excavated: 27/08/2021 Location: Naradas village, Baghmara, Rajshahi.  সূর্যমূর্তি। নবম থেকে দশম শতাব্দীর। পালযুগীয়। সপ্তাশ্বচালিত দিব্যরথে ভগবান্ শ্রীসূর্যের পূর্ণাবতার ভগবান্ মার্তণ্ড আরূঢ়। ভগবানের বাম, দক্ষিণ তথা সম্মুখে যথাক্রমে ওনার ত্রিশক্তি ভগবতী সংজ্ঞা, ভগবতী ছায়া ও ভগবতী মহাশ্বেতা অধিষ্ঠিত। ভগবানের বামে ও দক্ষিণে ওনার পার্ষদ দণ্ডনায়ক [দণ্ডী] ও পিঙ্গল। শ্রীঅরুণ ভগবানের সারথী। দণ্ডী ও পিঙ্গলের ওপরে দেবী ঊষা ও দেবী প্রত্যূষা পরিদৃশ্যমানা; তথা মিত্রাবরুণ ভগবানের প্রীত্যর্থে বাদনরত। পাল-সেনযুগের সূর্য। পদ্মদ্বয়ধারী ও বরাভয়দাতা। দণ্ডী পিঙ্গলাদি সহচর; পত্নী ছায়া সংজ্ঞা; ঊষা প্রত্যুষা এবং সারথি অরুণ বিদ্যমান।

Yogi Deul, Belda, Paschim Medinipur

Image
  যোগী দেউল, দেউলী (বেলদা) প্রতিষ্ঠা-লিপি নাই যে মন্দিরে, তার আয়ুষ্কাল নির্নয় হয় স্থাপত্যশৈলী বিচার পদ্ধতিতে। মেদিনীপুর জেলার এমন তিনটি মন্দিরের কথা আমরা জানি, যেগুলিকে এভাবে ছাড়া বিচারের অন্য বিকল্প নাই-- ১. খড়গপুর থানার জিনশহর গ্রামের জৈন মন্দির। ২. বিনপুর থানার ডাইনটিকরী গ্রামের আর একটি জৈন মন্দির (বর্তমানে 'রংকিনী মন্দির' নামে পরিচিত )। ৩. তৃতীয়টি রয়েছে বেলদা থানার দেউলী গ্রামে। সেই মন্দিরটি নিয়ে আমাদের আজকের আলোচনা। সভ্যতার বিকাশ হয়েছে নদীপথ ধরে, যেমন সিন্ধু সভ্যতা। প্রাচীন জৈন ধর্মগ্রন্থ 'আচারাঙ্গ সূত্ত' থেকে জানা যায়, মহাবীর এবং তাঁর শিষ্যগণ রাঢ়দেশ পরিভ্রমণ করেছিলেন। জৈনদের পরেপরেই আসেন বৌদ্ধরা। পরেশনাথ বা পার্শ্বনাথ পাহাড়ের সমেত শিখর থেকে চারটি নদী উৎপন্ন-- দামোদর, দ্বারকেশ্বর, শিলাবতী এবং কংসাবতী। রাঢ় বাংলায় জৈন এবং বৌদ্ধ ধর্মের বিকাশ হয়েছিল এই চারটি নদীপথেই। পুরুলিয়া জেলায় দামোদরের তীরে তেলকুপি; বাঁকুড়া জেলায় দ্বারকেশ্বরের তীরে সোনাতপল ও বহুলাড়া, কংসাবতীর তীরে অম্বিকানগর;  মেদিনীপুর জেলায় কংসাবতীর তীরে ডাইনটিকরী ও জিনশহরের প্রাচীন মন্দিরগুলি তারই সাক্ষ্য বহন ক...

Basudevpur Shiva Mandir, Daspur, Paschim Medinipur

Image
  শিব মন্দির, বাসুদেবপুর হাটতলা (দাসপুর থানা, মেদিনীপুর) মেদিনীপুর জেলার দাসপুর হল মন্দিরময় থানা। রূপনারায়ণ, শিলাবতী, কংসাবতী ইত্যাদি ছোট-বড় অনেকগুলি নদীর জলধারায় পুষ্ট দাসপুর। একদিকে উর্বরা ভূমির কারণে কৃষিজ সম্পদে সমৃদ্ধ। অপরদিকে, এর সাথে যুক্ত হয়েছিল রেশম শিল্প। ওলন্দাজ, আর্মেনিয়াণ, ইংরেজ আর ফরাসিরা এই শিল্পে অংশগ্রহণ করায়, আর্থিক বিকাশ হয়েছিল দৃষ্টান্তস্বরূপ। রেশমশিল্পের দৌলতে, স্থানীয় অধিবাসী বহু পরিবারই বিশেষ সম্পন্ন হয়ে উঠেছিল। অন্যদিকে ছিল থানা জুড়ে সুত্রধরদের বসবাস। টেরাকোটা ফলক নির্মাণে তাঁরা ছিলেন দক্ষ। তেমনই  দক্ষতা ছিল দারুতক্ষণ বা কাঠখোদাইয়ে। কাঠের রথ, দেবতার সিংহাসন, দরজার পাল্লা ইত্যাদিতে তাঁদের খোদাই কাজের উৎকৃষ্ট নমুনা আজও দেখা যায়। ধনী পরিবার আর দক্ষ সূত্রধর-- এই দুইয়ের মেলবন্ধনে থানা জুড়ে অজস্র দেবালয় গড়ে উঠেছিল এক সময়। দাসপুর থানার বিখ্যাত এক গ্রাম বাসুদেবপুর। মেদিনীপুর জেলায় বিদ্যাসাগর মশাই যে ৪টি মডেল স্কুল স্থাপন করেছিলেন, তার একটি ছিল এই গ্রামে। অপরদিকে, বাসুদেবপুর হল মন্দিরময় গ্রাম। সপ্তদশ, অষ্টাদশ আর উনবিংশ শতাব্দী জুড়ে বহু দেবালয় নির্মিত হয়েছিল এই গ...

Lokeshwar Shiva Mandir, Moyna, Purba Medinipur

Image
  লোকেশ্বর শিব মন্দির, ময়নাগড় (থানা-- ময়না, মেদিনীপুর) পরাক্রমী রাজা লাউসেন-এর নাম জানা যায় "ধর্মমঙ্গল" কাব্যে। তাঁর রাজধানী ছিল-- ময়নাগড়। যদিও আধুনিক ইতিহাসকারগণ লাউসেন-এর অস্তিত্বেই সন্দিহান। কিন্তু সাধারণের কথা বাদ দিই, স্বয়ং প্রাচ্যবিদ্যামহার্ণব নগেন্দ্রনাথ বসু তাঁর "বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস" (রাজন্য কাণ্ড) গ্রন্থে জানিয়েছেন,  ধর্মপূজা সম্বন্ধীয় বহু প্রাচীন গ্রন্থে লাউসেন রাজার নাম উল্লেখ আছে। ইতিহাসের সাথেও নাড়ির যোগ লাউসেন-এর। ধর্মপাল যখন গৌড়ের অধিপতি, গোপভূমি-র রাজা ছিলেন জনৈক কর্ণসেন। ইছাই ঘোষের আক্রমণে পরাজিত ও রাজ্যচ্যূত হয়ে, ধর্মপালের কাছে আশ্রয় নেন কর্ণসেন। ধর্মপাল তাঁকে সেনাপতি হিসাবে নিয়োগ এবং নিজের শ্যালিকা রঞ্জাবতীর সাথে বিবাহ দিয়ে, নিজের সাম্রাজ্যের ময়নাগড়ে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। লাউসেন হলেন কর্ণসেন এবং রঞ্জাবতীর পুত্র। লাউসেন রাজা হয়ে, পর পর দুটি পরিখা দিয়ে ঘিরেছিলেন রাজধানী ময়নাগড়কে। বলা হয়, তিনিই গড়ের ভিতরে দেবী রঙ্কিনী এবং লোকেশ্বর শিবের বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। লাউসেনের পরবর্তীকালে পরিত্যক্ত ময়নাগড় অধিকার করেছিলেন জনৈক জলদস্যু শ্রীধর হুই।  এদিকে, ময়ন...

Vishnu Mandir, Garh Krishnapur, Paschim Medinipur

Image
  বিষ্ণু মন্দির, গড় কৃষ্ণপুর (থানা-- বেলদা। মেদিনীপুর) " বর্গী এলো দেশে "-- এই শব্দবন্ধের সাথে আমরা সকলেই পরিচিত। কিন্তু সেই বর্গীবাহিনীকে মোকাবিলা করতে কী হয়রানি হয়েছিল বাংলার নবাবের, তার বিশদ কথা মনে নাও থাকতে পারে। সময়ও তো কম নয়। পৌনে তিনশ' বছরেরও আগের কথা। সেকারণে, গোড়াতেই বরং একটু পিছন ফিরে দেখে নিই আমরা। বাংলায় বর্গী আক্রমণের সূচনা ভোঁসলে রাজার দেওয়ান ভাস্কর পন্ডিতের নেতৃত্বে। ৪০ হাজার অশ্বারোহী বাহিনী নিয়ে, বিহারের পঞ্চকোট পাহাড় হয়ে, বাংলায় ঢুকে পড়ত বাহিনী। তাদের মোকাবিলায়, ১৭৪০, '৪২, '৪৪ সালগুলিতে বারংবার যুদ্ধ করেছেন আলীবর্দী। শেষে তিতিবিরক্ত হয়ে, ছলনা করে ভাস্কর পন্ডিতকে হত্যা করেছেন। তারই প্রতিশোধ নিতে, বিপুল সৈন্য নিয়ে, স্বয়ং রঘুজী ভোঁসলে এসে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন বাংলায়। মেদিনীপুর, শাহবন্দর, ভোগরাই, জলামুঠা, পটাশপুর ইত্যাদি পরগণাগুলি দখল করে নিয়েছিল বর্গীরা। ১৭৫০-৫১ সাল। তরুণ সিরাজ-উদ-দৌলাকে নিয়ে আলীবর্দী মেদিনীপুর দুর্গে এসে ঘাঁটি গেড়ে বসলেন। সিরাজ গেলেন যুদ্ধে। ধাওয়া করতে করতে, সুবর্ণরেখা পার করে একেবারে বালেশ্বর পৌঁছে, তখনকার মত, বর্গীদের পরাস্ত করলেন স...

Kashishwar Shiva Mandir, Keshiary, Paschim Medinipur

Image
  কাশীশ্বর শিব মন্দির, কাশীপুর-ঔরঙ্গাবাদ (থানা-- কেশিয়াড়ি। মেদিনীপুর) শ'-তিনেক বছর আগের কথা। তখন কেশিয়াড়ি বলতে একটি মৌজাকেই বোঝাতে না। ৩৬টি গ্রাম নিয়ে গড়ে উঠেছিল সেদিনের কেশিয়াড়ির পরিচিতি। রেশমশিল্পের সুবাদে, তখন কেশিয়াড়ি এলাকার অর্থনীতি পুষ্ট হয়েছিল বিপুলভাবে। ৩৬টি গ্রাম ভাগ করা ছিল ১২টি ভাগে। প্রত্যেক ভাগের কেন্দ্রস্থলে ছিল ১টি করে শিবমন্দির। সেই ১২টি মন্দির বা মাড়ো পরিচিত ছিল ' বারো মাড়ো ' নামে। মেদিনীপুর জেলায় রেশম শিল্পের বিকাশ হয়েছিল অনেকগুলি কেন্দ্রে। চন্দ্রকোণা, দাসপুর, কিংবা আনন্দপুর ইত্যাদির মত, কেশিয়াড়িও ছিল তেমনই একটি কেন্দ্র। রেশম উৎপাদন এবং তার বাণিজ্য থেকে বহু পরিবার বিশেষ সম্পন্ন হয়ে উঠেছিল কেশিয়াড়িতে। বিশেষ করে কেশিয়াড়ি সদর গঞ্জটিতে। সেখানে অনেকগুলি দেবমন্দির নির্মিত হয়েছিল বিত্তশালী পরিবারগুলির হাতে। ৩টি জগন্নাথ মন্দির। দামোদর, গৌরাঙ্গ ইত্যাদি নামের কয়েকটি বিষ্ণু মন্দির। ১টি শীতলা মন্দির। আর তৈরী হয়েছিল শিব মন্দির। অনেক নামে অনেকগুলি শিব মন্দির।   একই 'কাশীশ্বর' নামে ২টি শিবমন্দির আছে এখানে। একটি আছে ভবানীপুর গ্রামে। কাশীপুর-ঔরঙ্গাবাদ গ্রামে আছে বর...